Articles by "Freelancing"

Freelancing
Showing posts with label Freelancing. Show all posts


এ বিষয়ে অনেকবার অনেক সিনিয়র পার্সন লেখালেখি করলেও মনে হচ্ছে প্রশ্নই শেষ হয়না। তাই বিস্তারিত লিখলাম যাতে সবার সুবিধা হয়।

ফাইভারে অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার পেছনে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, আইপি সমস্যা। আসলে আইপি সমস্যা দেখিয়ে ফাইবার কখনো একাউন্ট ব্লক করে না। তারা মাল্টিপল একাউন্ট ব্যবহারের অপরাধে অ্যাকাউন্ট ব্লক করে থাকে। বিষয়টির সাথে শুধু আইপি নয়, বরং ডিভাইসের বেপারটিও জড়িত। বিভিন্ন সময়ে অনেককে দেখা যায় তার একাউন্ট ব্লক হয়েছে মাল্টিপল একাউন্ট থাকার কারণে, কিন্তু সে দাবি করছে তার একাধিক অ্যাকাউন্ট নেই। এখানে আমরা ফাইভারকে মিথ্যাবাদী ভাববো, নাকি যার একাউন্ট ব্লক হয়েছে তাঁকে মিথ্যাবাদী বলবো? আসলে কেউই মিথ্যাবাদী নয়, বোঝার ভুল রয়েছে এখানে। ভুলটা মূলত আমাদেরই, তবে কিছু কিছু সময় ফাইভারের ভুল থাকতে পারে। যেহেতু এটা তাদের সিস্টেম থেকে অটোমেটিক ধরা হয়, বিভিন্ন কারনে সিস্টেমের অ্যালগরিদম কাজ করতে গিয়ে ভুল টার্মে পড়ে একাউন্টের সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে এটা খুবই রেয়ার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের ভুল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইপি সংক্রান্ত বিষয়ঃ আপনি যদি আইপি নিয়ে খুব বেশি টেনশনে থাকেন, তবে চাইলে আপনি যদি সুযোগ থাকে ডেডিকেটেড আইপি নিয়ে নেবেন। কিন্তু যদি আপনি শেয়ারড আইপি ব্যবহার করেন তার মানে এই নয় যে, আপনার ফাইভার একাউন্ট ব্লক হবে। শেয়ার্ড আইপি এর মাধ্যমে আপনি যদি ফাইবার ব্যবহার করেন সে ক্ষেত্রে ফাইবার সাধারণত আপনার আইপি এর পাশাপাশি লোকেশন এবং ডিভাইস ম্যাক আইডি ট্রাক করে থাকে এবং এক্ষেত্রে ডিভাইসের ম্যাক আইডি এর প্রতি প্রাধান্য বেশি দেওয়া হয়। এর মানে দাঁড়াচ্ছে আইপি নিয়ে আপনাকে খুব বেশি টেনশন না করলেও চলবে। মূলত আপনি যদি একই কম্পিউটার কিংবা একই মোবাইলে একাধিক আইডি ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনার ভয়ের তেমন কিছু নেই।

তবে কেউ যদি একই ওয়াইফাই রাউটার এর আন্ডারে দুটি আলাদা পিসিতে দুটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনাদের ফাইভারের সার্ভিস যেন আলাদা হয়। অন্যথায় আপনাদের দুটি অ্যাকাউন্টই ব্লক হতে পারে।

আপনার বন্ধু এবং আপনি দুজনেই একই সার্ভিস দিয়ে থাকেন এবং দুজনেই ফাইভের একাউন্ট এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। আপনারা বিভিন্ন সময়ে Shareit এ্যাপ এর মাধ্যমে ফাইল আদান প্রদান করে থাকেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিন ফাইল আদান প্রদানের পূর্বে আপনার এবং আপনার বন্ধুর দুজনেরই মোবাইল ডাটা অফ আছে কিনা। যদি না থাকে অবশ্যই অফ করে নিবেন।

কিছু সাধারণ প্রশ্ন এবং উত্তরঃ

প্রশ্ন-০১ঃ আমার ইন্টারনেট এর আইপি কিভাবে চেক করবো?
উত্তরঃ গুগলে গিয়ে "What is my IP" লিখে সার্চ দিন। তাহলে যে আইপিটা দেখতে পাবেন, সেটাই আপনার ইন্টারনেটের আইপি। https://canyouseeme.org সহ আরো কিছু সাইট রয়েছে যেগুলো দিয়ে চেক করা যায়, কিন্তু আমি যেভাবে বলেছি এটার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারবেন খুব সহজে।

প্রশ্ন-০২ঃ ডেডিকেটেড আইপি নেওয়া কি বাধ্যতামূলক?
উত্তরঃ না, ডেডিকেটেড আইপি নেওয়া মোটেও বাধ্যতামূলক নয়। তবে সুযোগ থাকলে সম্পূর্ণরূপে সেফ থাকার জন্য, আপনি চাইলে ডেডিকেটেড আইপি নিতে পারেন।

প্রশ্ন-০৩ঃ আমার ISP বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার আমাকে ডেডিকেটেড আইপি দিয়েছে কিনা বুঝবো কিভাবে?
উত্তরঃ আপনি যদি ডেডিকেটেড আইপি নিয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে যে আইপিটা দেওয়া হবে সেই আইপি দিয়েই আপনার রাউটার কনফিগার করা হবে এবং ওই একই আইপি গুগলে "What is my IP" লিখে সার্চ দিলে শো করবে। যদি আপনার রাউটারের ভেতরে দেওয়া আইপি এবং গুগলে পাওয়া আইপি না মিলে যায়, তবে বুঝতে হবে এটা ডেডিকেটেড আইপি না।

প্রশ্ন-০৪ঃ আমি কি একই সাথে মোবাইল এবং কম্পিউটার এ আমার ফাইবার আইডি ব্যবহার করতে পারবো?
উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন শুধু একটি কম্পিউটার কিংবা একটি মোবাইল না আপনার যদি একাধিক কম্পিউটার কিংবা একাধিক মোবাইল থাকে সেগুলোতেও চাইলে আপনার ফাইবার একাউন্ট টি ব্যবহার করতে পারবেন এবং একই সাথে ব্যবহার করতে পারবেন তবে খেয়াল রাখতে হবে ওই সব মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে অন্য কোন ফাইবার অ্যাকাউন্ট কখনো যেন ব্যবহার করা না হয়

প্রশ্ন-০৫ঃ আমি আমার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের লাইন পরিবর্তন করবো এতে কোন সমস্যা হবে কি?
উত্তরঃ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের লাইন পরিবর্তন করলে এক্ষেত্রে আপনার আইপিও পরিবর্তন হচ্ছে, সেটা হোক ডেডিকেটেড কিংবা শেয়ার আইপি। এক্ষেত্রে আপনি নিজের সেফটির জন্য ফাইবার সাপোর্টে একটি মেসেজ দিয়ে রাখতে পারেন যে, আপনি আপনার ইন্টারনেট লাইন পরিবর্তন করছেন। যদিও এটা জরুরী নয়, কিন্তু এটা করলে আপনি সেইফ থাকবেন। আমি নিজে ফাইবারকে এমনটা জানিয়েছিলাম লাইন পরিবর্তনের আগে এবং তারা বলেছে তাদের সিস্টেম হয়তো অ্যালগরিদম এর উপরে নির্ভর করে একাউন্ট ডিজেবল করলে করতেও পারে। কিন্তু যেহেতু আমি তাদেরকে জানিয়েছি, তাই যদি আমার একাউন্ট ডিজেবল হয়, তাদের সাথে পূনরায় যোগাযোগ করতে বলেছে এবং তারা অ্যাকাউন্ট ঠিক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, তাদেরকে জানালে আপনি সেফ থাকবেন।

প্রশ্ন-০৬ঃ আমি কম্পিউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি এবং বাসায় থাকলে মোবাইলেও ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি। কিন্তু বাইরে গেলে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করি এতে কি কোনো সমস্যা হবে?
উত্তরঃ না, এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

প্রশ্ন-০৭ঃ কোন মার্কেট কিংবা পাবলিক প্লেসে গিয়ে যদি যদি ওপেন ওয়াইফাই ব্যবহার করি এবং সেই একই ওয়াইফাইতে অন্য কোন ফাইবার ব্যবহারকারী থেকে থাকে, তাহলে কি কোন সমস্যা হবে?
উত্তরঃ ফাইবার অত্যন্ত স্মার্ট, তারা একটি ইন্টারনেট আইপি থেকে আপনি কতবার লগইন করলেন কিংবা আপনি সবসময় যে লোকেশন থেকে ব্যবহার করেন সেটাই আপনার পার্মানেন্ট নাকি পাবলিক ওয়াইফাই পারমানেন্ট এসব বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে পাবলিক ওপেন ওয়াইফাই ব্যবহার করলেও আপনার কোন সমস্যা হবে না। এমনকি ওই ওয়াইফাইতে অন্য কোন ফাইভার ব্যবহারকারী থাকলে তাতেও আপনার কোন সমস্যা হবে না। তবে যদি প্রতিনিয়ত আপনি এটা করেন তাহলে ঝামেলা হতে পারে। আর অবশ্যই সাজেশন থাকবে নিরাপত্তার স্বার্থে
এসব ওয়াইয়াইতে লগিন না করা।

প্রশ্ন-০৮ঃ আমি মোবাইল ডাটা কিংবা মডেম দিয়ে ফাইভার ব্যবহার করি। কোনো সমস্যা আছে?
উত্তরঃ যারা মোবাইলের ডাটা কিংবা মডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাদের ভয়ের কোন কারণ নেই। প্রতিবার ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ এবং অন হওয়ার সাথে সাথে আপনাদের আইপি রেনডমলি পরিবর্তন হয়। অনেকে এই আইপি পরিবর্তনের বিষয়টিও ভয়ের কারণ মনে করেন। কিন্তু কোন ভয় নেই, আপনারা নির্ভয়ে যে কোন সিমের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। শুধু খেয়াল রাখবেন, একাধিক ফাইবার একাউন্ট ব্যবহার না করলেই হবে।

প্রশ্নঃ-০৯ঃ পাবলিক ওয়াইফাই কিংবা বন্ধুর ওয়াইফাই দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা দরকার হলে ফাইভারের বিষয়টি সেফ রাখবো কিভাবে?
উত্তরঃ যদি সময় বিশেষে এমনটা দরকার পড়ে তাহলে এসব ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্ট হওয়ার আগে, ফাইভার এ্যাপ থেকে লগ-আউট করে নিন। এ্যাপ এর মেনু থেকে সেটিংসে গেলে লগ-আউট পাবেন।


সর্বশেষে বলবো সতর্ক থাকার জন্য জানার চেষ্টা করুন, কিন্তু ফাইভারের সাথে কোনোরকম চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। চালাকি করলে ধরা খাবেন, এমনকি কিছুদিন কিংবা কয়েক মাস ধরা খাননি, তাতে খুশি হওয়ার কিছু নেই। ধরা একদিন পড়বেনই এবং রেজাল্ট সরাসরি ব্যান। যদি ফ্রিল্যান্সিংকে ক্যারিয়ার হিসাবে নিতে চান, তাহলে সৎভাবে নিয়ম মেনে কাজ করুন। আশা করি কোনো ঝামেলায় পড়বেন না।

বিঃদ্রঃ অনেকেই আছেন হয়তো এসব নিয়মের বাইরে থেকেও এখনও অনেকদিন যাবৎ টিকে আছেন। তারা কমেন্ট করে কাউকে কনফিউসড করবেন না। আপনাদের ভাগ্য এখনও অবধি ভালো কিন্তু আজ হোক কিংবা কাল আপনি ঝামেলায় পড়বেনই। তাই অন্যকে বিপদে ফেলবেন না।

কারো কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন চেষ্টা করবো উত্তর দেওয়ার।

✍️✍️ ক্লায়ন্টের সাথে ডিল করা বা চ্যাটিং যারা একবারে নতুনঃ

যারা মার্কেটপ্লেসে একদম নতুন তারা অনেকেই কাজ পাওয়ার পর একটু ঘারবে যায়, ক্লায়েন্ট যেই ডেসক্রিপশন দেয় সেটা পরে বুঝতে পারেনা, অনেকে আবার ভাল ইংলিশ জানেনা বলে বুঝতে পারেনা

এটা নিয়ে কিছু কথাঃ

-যদি ক্লায়েন্টের ডেসক্রিপশন পরে না বুঝেন, শুরুতে একবার/কয়েকবার ক্লায়েন্ট কে বলতে পারেনা আমি বুঝিনি এখানে/ওখানে কি হবে? etc etc ((ক্লায়েন্ট কেমন সেটা চ্যাটিং দেখে বুঝে নেন সে বার বার আস্ক করলে রেগে যাবে কিনা)

- আপনি চাইলে সাথে সাথে ক্লায়েন্ট কিছু না বলে একটু নিজের বুঝার চেষ্টা করুন (৩-৫ মিনিট বার তার বেশি সময় নিয়ে বুঝার চেস্টা করেন) শুরুত বলার দরকার নেই আপনি বুঝেছেন, কারন যদি না বুঝে বলেন আমি বুঝেছি পরে যদি ক্লায়েন্টকে বলেন বুঝি নাই, অনেক ক্লায়েন্ট আছে রেগে যায়(সবাই এক না, না বুঝলে ক্লায়েন্ট ২-৩ বার বা তার বেশি বলে দিবে)

- শুরুতে কিছু না বলে ক্লায়েন্টের ডেসক্রিপশন টা গোগল ট্রান্সলেট করেন, দেখেন কি বলেছে, গোগলে ট্রান্সলেট করে যা দেয় অনেকে বুঝতে পারেনা, যারা একটু চালাক চতুর অনেকে বুঝে যায়, আপনি যদি গোগলে ট্রান্সলেট করে না বুঝেন তাইলে আপনার ভাই,বোন বা আপনার পরিচিত কেউ থাকে যারা ভাল ইংলিশ জানে/জানতে পারে তাহলে তাকে জিজ্ঞেশ করুন, সে হয়তো ঠিক ই বলে দেবে,

- আবার এমন ও হতে পারে, রাত ২টা বা ৩টা তখন ক্লায়েন্ট মেসেজ দিলো, ক্লায়েন্ট আপনাকে কয়েকবার বুঝানোর পর ও আপ্নে না বুঝেন, ঐ সময় যদি আপনার পরিচিত তেমন কাউকে না পান তাহলে ক্লায়েন্ট কে বলে দেন আমি বুঝেছি কাজ টা করে দেবো(একটু চালাকি আর কি তবে, সব সময় সময় সব চালাকি না করাই ভাল, সুযোগ বুঝে কাজ করবেন) 😊

আসলে অনেক ক্লায়েন্ট আছে ইংলিশ না জানলে রেগে যায়, সবাই এক না, আপনি না বুঝলে ক্লায়েন্টকে বলবেন, ক্লায়েন্ট আপনাকে ২-৩ বার বলবে বা তার বেশি ও বলবে, তবে বার বার বিরক্ত করবেন্না

আপনি বার বার জিজ্ঞেশ করলে ক্লায়েন্ট রেগে জেতে পারে, অনেক ক্লায়েন্ট আছে না বুঝলে বার বার আপনাকে বলবে, সবাই ত এক না, আর আপনি যখন বার বা প্রশ্ন করবেন সে যখন রিপ্লে দিবে তখন আপ্নে বুঝে যাবেন ক্লায়েন্ট কি রেগে যাচ্ছে না ঠিক আছে 😊

✍️✍️ ইংলিশঃ

আপনি যদি ইংলিশে দুর্বল হন বা কম বুঝেন তাহলে প্রতিদিন সময় করে ইংলিশ প্র্যাকটিস করুন, ইংলিশ পরতে/শিখতে হয়তো মন চাইবেনা, তবে আপনি ফ্রিলেন্সিং করলে ইংলিশ জানাটা আপনার জন্য জরুরি, এক কথায় ফরজ, প্রতিদিন সময় করে নিজে নিজে বা ফ্রেন্ড সার্কেল , জেভাবে পারেন প্র্যাকটিস করেন

✍️✍️✍️ ক্লায়েন্টের প্যারা

✍️ ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিলো, আপনি কাজটা করে দিলেন, সে দেখে ও খুশি হলো, তারপর----
কিছু নমুনা--------


- কাজটা ভাল্লাগছে একটু চেইঞ্জ দরকার, তারপর এপ্রোভ করে ফেলবো

অনেক ক্লায়েন্ট আসলেই তাই করে, আপনি ও হালকা চেইঞ্জ করে দিলেন, তারপর এপ্রুভ করে ফেলবে

(অনেকে ৪-৫ বার মডিফাই ও চাইতে পারে)

- কাজটা ভাল্লাগছে একটু চেইঞ্জ দরকার, তারপর এপ্রোভ করে ফেলবো

আপনি ও খুশি, হালকা চেইঞ্জ করে দিলেন, এইজে চেইঞ্জ শুরু হলো তা আর শেষ হচ্ছেনা, ৩-৪ দিন, ৭ দিন, ১ মাস, ২ মাস, অনেকের ৩মাস ও হয়ে যায় তারপর ও ক্লায়েন্ট প্যারা দেয়, অনেকের দেখলাম আরো বেশি

এখানে কথা আছে, ক্লায়েন্ট যে আপনাকে এই ১/২/৩ মাস প্রতিদিন প্যারা দিবে এমন না, ধরেন শুরুতে ২-৩ দিন বা ৭দিন রেগুলার চেইঞ্জ চাবে, এরপর সে ৩/৭/১৫/ বা তার বেশি দিন ধরে উধাও , তারপর এসে আবার চেইঞ্জ চাবে, আবার কয়দিন রেগুলার প্যারা দিবে, আপনি ও চেইঞ্জ করতে থাকবেন, একটা সময় সে কাজ এপ্রোভ করবে

👉 অনেকে প্যারা দিতেই থাকে, আর এইদিকে আপনি ও রাগে ফুলতে থাকবেন, মেজাজ ৪৪০ ভোল্ট হয়ে যাবে মাস্ট, শুরুতে সে কিন্তু বলেছে/বলতে পারে কাজটা আমার ভাল লাগছে হালকা চেইঞ্জ করে দেও, তারপর এতবার চেইঞ্জ করার পর সে নিজেই ভুলে যায় কি তার পছন্দ কি

(এমন অনেক রকমের ক্লায়েন্ট আছে, এত কাহিনী নাই বলি)

👉👉 অনেক ক্লায়েন্ট অর্ডার শেষ করার পর ও আসে চেইঞ্জ করে নিতে, তখন আপনি যা করবেন---

- আপনার হাতে যদি কাজের চাপ থাকে তাহলে বলবেন আমাকে ১/২ দিন সময় দাও আমি করে দিচ্চি, না থাকলে সাথে সাথে করে দেন, দেখা যাবে ফিউচারে ক্লায়েন্ট আপনাকে আরো কাজ দিচ্ছে

(অনেকে দেখি ক্লায়েন্ট অর্ডার শেষে চেইঞ্জ করতে আসলে রেগে যায় করেনা, ক্লায়েন্টকে চেইঞ্জ করে দেয়না, পরে ক্লায়েন্ট বাধ্য হয়ে সাপোর্ট তার নামে রিপোর্ট করে, এইগুলা না করাই ভাল, তবে আপনাদের ইচ্ছা)


✍️✍️ ক্লায়েন্ট যদি হালকা প্যারাময় হয় তাহলে----

- আপনি যেহেতু কাজটা করতেছেন, ৫-১০ টা চেইঞ্জ চাইলো কোন ব্যাপার না, করে দেন, কেউ ভাল হলে আপনাকে কাজ করিয়ে নিয়ে টিপস ও দিবে, অনেক ক্লায়েন্ট বুঝে ওরে দিয়ে এত কাজ করাচ্ছি, টিপস দিয়ে দেয়, অনেকে দেয়না, টিপস দেয় বা না দেয় মন খারাপের কিছু নাই

- অনেক ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে দিয়ে ৫০/১০০+ এর বেশি ও চেইঞ্জ করাবে তখন আপনার রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক, কারন শুরুতে সে পছন্দ করেছে, তারপর এতবার চেইঞ্জ করার পর এমন অবস্থা হয় সে নিজেই ভুলে যায় তার কি পছন্দ 

✍️✍️ ক্লায়েন্ট যদি সেই রকমের প্যারাময় হয় + আপনি অলরেডি ২০-৩০+ বা তার বেশি চেইঞ্জ চাওয়ার পর চেইঞ্জ করে দিছেন, আপনার রাগ হবে, সো সে যদি আরো চেইঞ্জ চায় আপনি করে দিবেন, কারনঃ---

- আপনি ভাবুন আপনি কত সময় ধরে তার কাজের পেছনে ব্যয় করছেন, কত প্যারা অলরেডি নিছেন, আপনার অনেক সময় অপচয় হইছে, এখন যদি আপনি রেগে গিয়ে কাজটা কেন্সেল করে দেন তাহলে আপনার সময় ই নষ্ট + ডলার গেলো + পরিশ্রম সব বৃথা

👉 কি গ্যারান্টি আছে এত চেইঞ্জ করানোর পর ক্লায়েন্ট কাজ কেন্সেল কবরেনা.. ?

- গ্যারান্টি নেই, তবে একটা আশা, এত প্যারা নিয়ে কাজ করলাম কিন্তু টাকা/ডলার গুলা পাবোনা, সময় গেলো, রাত জাগলাম, পরিশ্রম ও ত কম করলেন্না, কেনো রেগে গিয়ে কেন্সেল করবো

- আপনি কিছু ক্লায়েন্টের কাজ করলে ৪/৫/১০ বার চেইঞ্জ করারনোর পর বুঝে যাবেন ক্লায়েন্ট কাজ করে হয়তো কেন্সেল দিবে, আপনার এমন মনে হলে আপনি কেন্সেল করে দিতে পারেন, অযথা দীর্ঘদিন কাজ টা নিয়ে পরে না থাকাই ভাল, যদি আপনার কেন্সেল করতে মন চায় শুরুতে করে দিবেন(তবে মাথায় রাখবেন আজকাল মার্কেটপ্লেস গুলাতে কেন্সেল মানে প্রবলেম)

আমি যা করতাম খুব প্যারা দিলে আমি নিতাম, কারন এত সময় দিলাম, পরিশ্রম করলাম কেনো কেন্সেল করবো, তবে সব কিছু আপনার ইচ্ছে, আপনি চাইলে চেইঞ্জ করে দিবেন বার বার, আর নয়তো ক্যান্সেল করে দিবেন কয়েকবার কাজ করার পর, আমি বলবো এত প্যারা নেয়ার পর ক্যান্সেল করলে ত আপনার যা ইনকাম হতো সেটা পাইলেন্না + আপনি অনেক সময় নষ্ট করছেন + কষ্ট ও কিন্তু কম করেন্নাই , সব গেলো

(জাইহউক সব আপনার ইচ্ছা,আমি জাস্ট এমনি একটু আইডীয়া দিলাম, জাস্ট আমার মত করে বললাম আরকি, আপনারা জেটা ভাল মনে হয় করবেন) 😊😊

১) সর্ব প্রথম এবং প্রধান কারণটি হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে ভালোমতো না জেনে/বুঝে অন্ধের মতো ঝাঁপ দেয়াঃ
---> আমার লাইফের শুরুতে ৩৫০০০-টাকা ধরা খাইলাম এই ফ্রীল্যান্সিং শিখতে যেয়ে। এই জন্য আমি নিজেকেই দায়ী করি বা আমি নিজেই দায়ী। কারণ আমি আসলে না জেনে/বুঝে এবং চটকদার বিজ্ঞাপনে দেখ  বিচার-বিবেচনা না করেই অন্ধের মতো ফ্রীল্যান্সিংয়ে ঝাঁপ দিছিলাম আর ফলাফল ব্যর্থতা। ইনস্টিটিটউ তো বাজে ছিলোই আর ট্রেইনারের কথা না হয় আর নাই বা বললাম। যাইহোক ঠকবাজরা ঠকাতে চাইবে তবে আমার বিচার-বিদ্ধু খাটিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বোকার মতো যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠকে গেলে তখন আর ঠকবাজদের দোষ দিয়ে লাভ নাই। তবে আমি পরবর্তীতে আশা ছেড়ে না দিয়ে এগিয়ে গেছি এবং সফলতা পেয়েছি।

উপদেশ --> আজকাল ব্যাঙের ছাতার মতো ফ্রীল্যান্সিং ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট এবংট্রেইনার বের হইছে যাদের মধ্যে ৯০%-ই ভুয়া। এইসব চটকদার বিজ্ঞাপনে যথেষ্ট মিথ্যা প্রলোভন থাকে। মিথ্যা প্রলোভনে আকৃষ্ট না হয়ে বিচার-বিবেচনা করে এবং নিজের পছন্দ বা আগ্রহ আছে এমন বিষয়ে ট্রেনিং নেন এবং অবশ্যই ভালো কোন প্রতিষ্ঠান এবং ট্রেইনারের কাছে শিখবেন। আর অবশ্যই জীবনে মাগনা কোনো কিছুর আশা করবেননা মনে রাখবেন মাগনা এই পৃথিবীতে কোনো কিছু নাই সো যতো দ্রুত এই বিষয়টা বুঝতে পারবেন ততো ভালো।

২) বিষয় নির্বাচনঃ
অমুকে তমুক ক্ষেত্রে ফ্রীল্যান্সিং করে কোটিপতি হয়ে গেছে। এখন অমুকের তমুক বিষয় আপনাকে স্যুট নাও করতে পারে সো এই ক্ষেত্রে নিজে কি শিখবেন বা আপনার কোনো বিষয়ে আগ্রহ আছে অথবা আপনার পক্ষে কোন বিষয়ে ট্রেনিং নেয়াটা সুবিধাজনক বা সম্ভব মনে হয় ওই বিষয়টাতেই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন। অন্ধের মতো অমুকের তমুক বিষয়ের পিছনে সময়, শ্রম এবং টাকা নষ্ট করার কোনো মানে হয়না এমন করলে হয়তো মাঝপথে যেয়ে মনে হবে আমিতো বিরানী প্রিয় মানুষ হুদাই কেন অন্যের বুদ্ধিতে চাইনিজ খেতে আসলাম।

৩) মাইন্ড সেটঃ
আপনি কি শিখতে চান কেন শিখতে চান এবং এর পিছনে আপনার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কি? খুব গুরুত্ব সহকারে এই বিষয়টি বিবেচনা করেন এবং সেই অনুযায়ী কোনো বিষয় বা ক্ষেত্রে ট্রেনিং নিবেন বা শিখবেন সেটা নির্ধারণ করেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময় বা লক্ষ্য নির্ধারণ করুন --> যেমনঃ- আমি ওয়ার্ডপ্রেস/এসইও/গ্রাফিক্স-ডিজাইন/ডিজিটাল মার্কেটিং/অন্যান্য (যেকোনো ১/২-টি) শিখবো, আগামী ৬/৮-মাসের মধ্যে শিখবো/ ১০-মাস/১-বছর থেকে আমি ইনকাম করা শুরু করবো।

৪) স্কিলের চাইতে টাকা ইনকাম করাকে অধিক গুরুত্ব দেয়াঃ
ভুলেও কখনোই স্কিলের চাইতে টাকা ইনকাম করাটাকে অধিক গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিবেননা কারণ অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী। আপনি হয়তো হালকা কিছু কাজ শিখেই ইনকাম শুরু করতে পারবেন কিন্তু সেটা পার্মানেন্ট হবেনা আমি পরবর্তী সময়ে কাজের ক্ষেত্রে আটকে যাবেন বা কাজ পাবেননা অথবা আপনার পক্ষে বড় বা কঠিন কাজ করা সম্ভব হবেনা। আপনি যেই ক্ষেত্রেই কাজ করেননা কেন আপনাকে মনে রাখতে হবে ফ্রীল্যান্সিংয়ে আপনাকে সারা বিশ্বের বাঘা বাঘা দক্ষ এবং অভিজ্ঞ লোকদের সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হবে সুতরাং আপনার নির্দিষ্ট বিষয়/ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সর্বোচ্চ লেভেলের দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে।

৫) ইংরেজিতে ভালো দক্ষতাঃ
ইংরেজিতে দক্ষতা আপনাকে জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই অকল্পনীয় এডভ্যান্টেজ দিবে। আমার এক ম্যাডাম ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় আমাকে বলছিলো নিজেকে স্মার্ট মানুষদের (পুরুষ) লিস্টে অন্তুর্ভুক্ত করার জন্য কিছু যোগ্যতা/দক্ষতা থাকা বাধ্যতামূলক যেমনঃ- ১) উচ্চ শিক্ষা/কর্মমুখ কারিগরি শিক্ষা ২)সাঁতার জানা ৩) ড্রাইভিং জানা ৪) ইংরেজিতে কথা বলতে পারা। ইংরেজিতে ভালো দক্ষতার কারণে জীবনে অনেক জায়গায় এক প্রকার বলতে পারেন বিভিন্ন ভাবে অন্যায় সুবিধাই পাইছি এমন হইছে যে কাজ পারিনা কিন্তু ইংরেজিতে দক্ষতার কারণে কোনো না কোনো ভাবে ক্লায়েন্টকে কনভিন্স করে কাজ নিয়ে নিছি। পরে দেখা গেছে যে হয় কাজ শেষ করতে পারিনি অথবা অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে জমা দিছি আমি যদিও এখন আর এমন করিনা তবে অনেকেই হয়তো এখনো এমন করে।

৬) মার্কেট প্লেস সম্পর্কে ধারণা / দক্ষতা / অভিজ্ঞতাঃ
নতুন অবস্থায় অভিজ্ঞতা থাকবেনা এইটাই স্বাভাবিক সো এইটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। কাজ করতে করতে অভিজ্ঞতা এমনিতেই চলে আসবে। ক্লায়েন্ট যখন নতুন কাউকে কাজ দেয় তারা জানেই যে এই লোকের অভিজ্ঞতা থাকবেনা কারণ সে নতুন আর নতুনদের অভিজ্ঞতা থাকেনা এইটা যে সাইন্স এইটা তারা বুঝে। বুঝিনা শুধু আমরা বাঙালীরা।
দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটা আপনার থাকতেই হবে হুদাই মার্কেট প্লেস লাফ দিবেননা। আপনার নির্দিষ্ট বিষয়ে যথেষ্ট পরিমান দক্ষতা অর্জন করেন প্র্যাক্টিস করেন এবং কনফিন্ডলী মার্কেট প্লেস ঝাঁপ দেন। এমন যেনো  না যে, বায়ো তে লিখছেন আমি এক্সপার্ট উপরের পার্ট কিন্তু কাজ পাওয়ার পরে আপনার অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের কাছ দৌড়া-দৌড়ি করতে হয়ে --> ভাই এইটা কি? ভাই ঐটা কি? এইটা কেমনে? ঐটা কেমনে?
অবশ্যই মার্কেট প্লাসে যাওয়ার আগে বিভিন্ন বেসিক বিষয় সম্পর্কে একদম ক্লিয়ার-কাট ধারণা রাখবেন প্রয়োজনে ইউটিউব এর ভিডিও দেখবেন গুগল করে ইনফো জেনে নিবেন। সিনিয়রদের সাহায্য নিবেন।

এক্সট্রা টিপস --->  অধ্যবসায় এবং পরিশ্রমঃ
সফলতার ক্ষেত্রে অধ্যবসায়ের (বার বার চেষ্টা করা) বিকল্প নাই। নিয়মিত পরিশ্রম করতে হবে কাজ এবং শেখা উভয় ক্ষেত্রে কারণ ---> পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।

ধন্যবাদ সবাইকে এবং হ্যাপি ফ্রীল্যান্সিং।

বর্তমান সময়ের অনকেরই প্রধান শখ একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়া। ফ্রিল্যান্সার হওয়া চাট্টিখানি কথা নয় আবার ইচ্ছা থাকলে তেমন কঠিনও নয়। একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য অবশ্যই কিছু জিনিস জানতে হবে তার মধ্যে অন্যতম পর্যাপ্ত ধৈর্য থাকতে হবে, কাজ সম্পর্কিত ধারনা অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা থাকতে হবে, ভাব বিনিময় এর জন্য ইংরেজি জানতে হবে ইত্যাদি। তো আজকে আমি কিছু জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট নিয়ে কথা বলবো যেসব সাইটে বায়াররা কাজ দেয়। তো কথা না বাড়িয়ে আলোচনায় যাওয়া যাক


Fiverr


Fiver যেকোন প্রকল্পের জন্য বিশ্বের বাজারে বৃহত্তম ফ্রিল্যানসিং প্রতিষ্ঠান। এটি আপনাকে অপ্রত্যাশিত দামে পরিষেবা সরবরাহকারী লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ গিগসের অ্যাক্সেস দেয়।



150 টিরও বেশি পরিষেবাতে 3 মিলিয়ন গিগস থেকে শুরু করে মাত্র $ 5 থেকে শুরু করে 200 টি দেশে বসবাসকারী ফ্রিল্যান্সারদের দ্বারা সরবরাহ করা হয়। এটি ফ্রিল্যান্সারের নির্দেশিকা যা আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার সর্বদা চায় ।

প্রায় প্রত্যেক ক্লায়েন্ট Fiver এর সাথে কাজ করেছে। এখানে সবাই ভালোমানের ফ্রিল্যান্সার রেট এবং পর্যালোচনা পায়। ক্লায়েন্ট হিসেবে আপনি কতটা ভালো বা জনপ্রিয় তা দেখার জন্যও এখানে ব্যবস্থা আছে।  বায়াররা তাদের নিজস্ব মতামত দিতে পারে।

Upwork


Upwork একটি গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে savvy ব্যবসা এবং পেশাদারী ফ্রিল্যান্সার সংযোগ এবং সহযোগিতা বিদ্যমান । বিশ্বের 100 টিরও বেশি সেবা বিভাগে সেবা সরবরাহকারী সংস্থাটির ২ লাখেরও বেশি দক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে।




আপওয়ার্কে আপনি ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয়তার সাথে  আপনার প্রজেক্ট  বা  প্রকল্প পোস্ট করতে  পারবেন । এটি তখন ফ্রিল্যান্সারদের তালিকাগুলির সাথে কাজ করে যা সেই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ এবং আপনার জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের শটলিস্ট করে।

আপওয়ার্কে একজন ক্লায়েন্ট অন্য ক্লায়েন্টদের কাজ দেখতে পারে এছাড়াও একজন আরেকজন এর কাজ করে দিতে পারে।  ফ্রিল্যান্সাররাও একে অপরের  প্রস্তাব জমা দিতে পারেন।

Freelancer




ফ্রিল্যান্সার প্রাচীনতম ফ্রিল্যান্স বাজারের মধ্যে অন্যতম । আপনি ফ্রিল্যান্সারের প্রতিযোগিতা হিসাবে আপনার প্রকল্পটি পোস্ট করতে পারেন এবং নির্বাচন করতে একশ টিরও বেশি এন্ট্রি পেতে পারেন, অথবা আপনি ফ্রিল্যান্সারদের আপনার প্রকল্পে বিড করতে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সার এছাড়াও ফ্রিল্যান্সার পেশাদারদের একটি ডিরেক্টরি হিসাবে কাজ করে এবং আপনি তাদের পোর্টফোলিও দেখতে এবং কোন প্রকল্প পোস্ট ছাড়া তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।

তো আজ এ পর্যন্ত।   আগামি পর্বে  দেখা হবে সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

আল্লাহ হাফেজ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজিশন

আপনারা যারা নতুন এসইও শিখতে চচ্ছেন তাদের জন্য এই বইটা খুব গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। এতে আপনি পূর্নাঙ্গ গাইড লাইন পেতে বইটি ফলো করতে পারেন।

TitleSEO - সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন
Author
Publisher
ISBN978-984-8933-76-3
Editionঅক্টোবর ২০১১ ইংরেজি
Number of Pages141
Countryবাংলাদেশ
Languageবাংলা
Downloadডাউনলোড করুন

(অনুপ্রেরণীয়) পূরণ হওয়া স্বপ্ন গুলো – ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং

ফ্রীল্যান্সিং সফলতা

টাকা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা কোনদিন ও ছিল না। খেয়ে দেয়ে পড়ালেখা করতে পারলেই হয়। ইচ্ছে হচ্ছে ডক্টরেট করা। তাই পড়ালেখার দিকেই নজর দিয়ে আসছি। মাঝে মাঝে ব্লগিং। নতুন কিছু জানার জন্য নেট সার্ফিং নেশা হয়ে উঠলো। এ সাইট থেকে ঐ সাইট করতে করতেই সারাদিন কাটিয়ে দি। আগে কম্পিউটার ছাড়া কিছু ভালো লাগত না। আর এখন সাথে ইন্টারনেট। মাঝে মাঝে নেট কানেকশন দশ মিনিটের জন্য ডিসকানেক্টেড হলে মনে হয় যেন আমি অনেক কিছু হারিয়ে ফেলছি। নেট প্রোভাইডারকে সাথে সাথেই ফোন। আর আবার কানেকশন পেলেই স্বস্তি। বন্ধু বা আত্মীয় দের মাঝে একটু বিরক্তির কারণ হয়ে আছি এজন্য। ঈদে সবাই বাড়ি যায়, আমি যাই না। কারন আমার কম্পিউটার আর ইন্টারনেট।

টিউশনি করা মনে হয় আমার কপালে নেই। বন্ধুরা আমার জন্য টিউশনি যোগাড় করলেও কয়েক দিন গিয়ে আমি আর পড়াতে যাই না। আমার ভালো লাগে না। এটা বলার কারন হচ্ছে যে আমি টিউশনি কে অবহেলা করি তা না। আমার টিউশনি করার মত ক্ষমতা বা টিউশনি করতে যে গুন গুলো ধকরার তা নেই। তাই তো টিউশনি করা হয় না। আর এটাই হচ্ছে একটা সমস্যা। পড়ি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে। খরচ তুলনা মূলক ভাবে অনেক বেশি। আর তাই ফ্যামিলি বা বন্ধুদের থেকে একটা কথা শুনতে হয় যে টিউশনি করলে তো অন্তত তোর নিজের খরচ হয়ে যায়। টিউশনি করস না কেন? টিউশিনি করে অনেকেই নিজের খরচ চালায়। আর পরিচিত এমন দুই একজকে দেখিয়ে বকা ঝকার পরিমান বাড়িয়ে দেয়… বকা শুনে চিন্তা করলাম সত্যি আমার এবার কিছু করা উচিত। অন্তত নিজের খরচ টা যোগাড় করা উচিত।

আমি অনলাইনে আজ প্রায় দুই বছর। টাকা রুজির চেষ্টা করা হয় নি জোর দিয়ে। ব্লগিং করতাম বাংলায়। ইংরেজী ব্লগিং করলে ও হয়তো একটা গতি হত। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে হয় নি। টাকা রুজি করার জন্য সিরিয়াস হয়ে গেলাম। আর তা অক্টেবর ২০১১, ওডেস্ক আর ফ্রীল্যান্সার এ বিড করলাম। একাউন্ট আগেই খোলা ছিল। তাওহিদ ভাই এর সাহায্য কি কি করতে হবে জেনে নিলাম। আর ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলো ছাড়াও পরিচিত যারা ওয়েব ডেভলপিং এর কাজ করে তাদের কাজে জিজ্ঞেস করলাম আমার জন্য কোন কাজ আছে কিনা। নাহ!! কেউ সাড়া দেয় নি। দুই এক জনের কাছে কাজ পাবো বলে আমার খুব বেশি বিশ্বাস ছিল। তাদের নক করলাম। কিন্তু হতাস করল।।

ওডেস্কে দুই একটা ছোট কাজ পেয়ে গেলাম। ও গুলো শেষ করে পেলাম কিছু টাকা। অনেক খুশি হলাম। ব্রাউজিং আর পড়ালেখার মাঝে মাঝেই চলতে থাকল। পরীক্ষা শেষ। মোটামুটি অনেক গুলো সময় হাতে। আর ওডেস্কে বিড করতে লাগলাম আরো মন দিয়ে। নিশাচর হওয়াতে এক সকালে বিড করে ফজরের নামাজ পড়ে ঘুমুতে গেলাম। আর দুপুরে ঘুম থেকে উঠেই প্রতিদিনের মত অনলাইনে আসলাম। দেখলাম ওডেস্কে নতুন দুটি মেসেজ দুটি বিড থেকে। আল্লাহর রহমতে দুটি জব ই পেলাম। একটা আওয়ারলি আরেকটা ফিক্সড। আওয়ারলি জবটা অনেক বড় একটা প্রজেক্টের। জয়েন করলাম। আর সত্যি আমার স্বপ্ন গুলো পূরণ করে দিল। আর আমাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করল… আমাকে আল্লাহ বেশি দিন কষ্ট দেয় নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই সব কিছু পেতে সাহায্য করেছে। মাত্র এক মাস ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে ট্রাই করেই আমি এখন বলতে পারি যে কোন সরকারী চাকুরে জীবি থেকে ভালো আছি… আল্লাহ যেন আমাকে এমন ভালো রাখেন… আর আমার ভাই, বাবা, মা ও অনেক খুশি। ছেলে রুজি করে… হয়তো তাদের খুশি আমার থেকেও বেশি।

গল্পটা বোরিং হোক আর যাই হোক লেখার অনেক গুলো কার।ণ রয়েছে। আমি চরম হতাশ ছিলাম। ওডেস্কে কাজ করে আমার হতাশটা কেটে আমি এখন পুরো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারছি মাত্র এক মাসে। হতাশতার সময় আমার কাছের কয়েকটি মানুষ পাশে ছিল যারা আমার হতাশতা দেখছে। রুবেল, নাসির ভাই, তাওহিদ ভাই, মনজু, লাকিএফএম, মেহেদী… হয়তো তারাও চিন্তা করেনি আমি এত সুন্দর একটা জব পাবো। এমন কি আমিও। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে শেষ হবে না।

যারা এরকম কম্পিউটার নিয়ে পড়ে থাকে। তাদের হয়তো বাসা থেকে আমার মতই বকা শুনতে হয়। আর ইন্টারনেট থেকে যদি কিছু রুজি করে ফ্যামিলিকে দেখানো যায় তাহলে তারাও খুশি আমরা ও… কাজ করার জন্য যে এমন কিছু শিখতে হবে তা না। যা জানা আছে তা নিয়েই আমার মনে হয় শুরু করা যায়। কারন অনেক গুলো কাজ আছে অনলাইনে যা সবাই করতে পারে।। অনেকেই পিটিসি সাইট গুলো নিয়ে পড়ে থাকে। তাদের আগেই ভালো লাগত না। এখন তো নাই…

বন্ধুরা ঘরে বসে আয় করুন। কী কাজ করবেন তাও ঠিক করুন আপনি নিজেই। ফ্রিলান্সারদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে বেশকিছু ওয়েবসাইট। ডেস্ক, প্রোগ্রামিং সহ বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ রয়েছে এই ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে। তাহলে চলুন এক নজর দেখে নেওয়া যাক কোন কোন সাইট আপনাকে সাহায্য করবে এই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে । নিচে ৬ টি সাইট সম্পর্কে আলোচনা করা হল ।
Freelance outsourcing

Elance.com

যাঁরা ভালো লিখতে পারেন তাঁদের জন্য খুবই কাজে আসতে পারে ওয়েবসাইট Elance.com। কর্মপ্রার্থীদের জন্য দু ভাবে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে এই ওয়েবসাইট। একটিতে নিজের পছন্দের কাজের সন্ধান করতে পারেন কর্মপ্রার্থীরা। আর অপরটিতে এমপ্লয়াররা খুঁজতে পারেন কর্মপ্রার্থীদের। শুধু লেখকই নয়, প্রোগ্রামারদের জন্যও এই সাইট খুব কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে।

Fiverr.com

ডেস্ক জবের সন্ধান দিতে খুব কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে Fiverr.com ওয়েবসাইটটিও। এই সাইটে ফ্রিলান্সি জবের সার্চ করলে অবশ্য ডেস্কের পাশাপাশি মিলতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, লোগো ডিজাইন, ভিডিয়ো ও অ্যানিমেশন, মিউজিক অডিয়ো ও প্রোগ্রামিং-এর কাজও।

Tutor.com

ওয়েবসাইটটির নাম শুনেই বোঝা যায় এই সাইট শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য। Tutor.com এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ছাত্ররা শিক্ষকের খোঁজে এবং শিক্ষকরা ছাত্রের খোঁজ চালাতে পারেন। ই-টিউশন, ক্র্যাফ্ট মেকিং, হোমওয়ার্ক সহ বিভিন্ন কাজ পাওয়া ও কাজ শেখার সুযোগ রয়েছে এই সাইটে।

Triviumedu.com

কোনও একটি বিষয়ে যাঁরা বিশেষ কোনও কৃতিত্ব স্থাপন করেছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ কোনও কাজের সুযোগ করে দিতে পারে Triviumedu.com ওয়েবসাইট। এই সাইটের কেরিয়ার অপশনে গিয়ে নিজের জন্য হাইফাই কোনও কাজ খুঁজে নিন। এখানে রয়েছে Walk-in-interview-এ অংশ নেওয়ার সুযোগও।

Gharkamai.com

বিভিন্ন ফ্রিলান্সিং জবের খোঁজ দেয় Gharkamai.com ওয়েবসাইটটিও। মহিলাদের তৈরি এই সাইটে মহিলাদের জন্য বিশেষ কিছু সুবিধেও দেওয়া রয়েছে। তবে যে ছেলে-মেয়ে উভয়েই এই সাইটে পেতে পারেন ঘরে বসে বিভিন্ন কাজের সন্ধান।

Scripted.com

এই সাইটের নামেই বোঝা যায় যে এটি লেখকদের জন্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি ১৫০০ টাকা থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘরে বসে কামাতে পারেন। এই সাইট ফ্রিলান্স লেখকদের একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে আপনি নিজের পছন্দের কন্টেন্ট পোস্ট করতে পারেন।


যারা অনলাইন থেকে আয় করতে চান এবং আপনি যদি যথা যোগ্য নিজেকে মনে করেন তাদের আর দেরি না করে কাজে নেমে পড়াই উত্তম । কম্পিউটার বা ল্যাপটপটা খুলে এই ওয়েবসাইট গুলিতে গিয়ে বেছে নিন আপনার পছন্দের কাজ। আর ঘরে বসে আয় করুন।

পোস্টটি কপি পোস্ট - এই সময় ।

freelancer, freelance, outsourcing, online job
অনলাইনে অনেকেই টাকা রুজি করতে চায়। কারণ একটা গুজব রয়েছে অনলাইনে হাজার হাজার ডলার রয়েছে। এখন শুধু পকেট ভর্তি করা বাকি। কিন্তু আসলেই গুজবটা সত্যি। সমস্যা একটাই আপনাকে সঠিক রাস্তা খুজতে হবে। প্রথম প্রথম ইন্টারনেট পেলে যাদের টাকা রুজি করার চিন্তা থাকে তারা পিটিসি adfly ইত্যাদি নিয়ে অনেক মাতা মাতি করতে থাকে। (টাকা রুজি করার চিন্তাকে আমি খারাপ বলছি না, নিজের খরচ নিজে বহন করা যে কত ভালো একটা কাজ সেটা যে বহন করে সেই বুঝবে, আবার যে করে না সেও বুজবে কারন বার বার নিজের পরিবারের কাছ থেকে টাকা চাওয়া কত বিরক্তি কর তা বলে বুঝানো যাবে না) কিন্তু দেখা যায় যে অনেকেই কিছু দিন পর সব কিছু ভুয়া মন্ত্যব্য করে পিছু হটে। যাদের একটু ধৈর্য্য আছে এবং সাথে সঠিক পথ চিনে তাদের সমস্যা হবার কথা না। কারণ ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেসে বাংলাদেশের অবস্থানই তা প্রমান করে দেয়।

ফ্রিল্যান্সিং করা খুবি সহজ এবং অনেক সহজ। এমন কি নিজের দৈনন্দিন রুটিনের কোন পরিবর্তন না করেই ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো টাকা রুজি করা যায়।

আপনি যদি কোন কাজ না জানেন, শুধু ব্যাসিক কম্পিউটিং, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ওয়েব সার্ফিং ইত্যাদি জানেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করে একজন সাধারণ চাকুরীজীবি থেকে ভালো টাকা রুজি করতে পারবেন। আর যদি কাজ জেনে থাকেন তাহলে একজন ব্যাঙ্কারের থেকে বেশি নয় অনেক বেশি টাকা রুজি করতে পারবেন। ব্যাঙ্কারের কথা এ জন্য বলছি যে বাংলাদেশে নাকি ব্যাংকে চাকুরির বেতন অনেক বেশি। আমি অনেক উদাহরণ দিতে পারব যাদের প্রতি ঘন্টায় বেতন ১০০ ডলারের বেশি। এবার হিসেব করে দেখুন একদিন সে যদি ৫ ঘন্টা কাজ করে তাহলে মাসে কত টাকা রুজি করে? আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে দিন ৫ ঘন্টার কাজ সে নিজের অফিসের / বা পড়ালেখার পাশা পাশিই করতে পারে।

এখন প্রয়োজন হচ্ছে সঠিক গাইড লাইন বা সঠিক পথ। পথের অভাব নেই। আপনি কি পারেন তা নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। আর তা দিয়েই আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনি শুধু ব্রাউজ করতে পারেন তা দিয়েই প্রতি ঘন্টায় ১-৫ ডলার রুজি করতে পারবেন। কিভাবে যদি জিজ্ঞেস করেন তাহলে বলবে অনেক কাজ আছে যেখানে সার্চ করে কিছু ডাটা এক্সেল বা ওয়ার্ডে প্রসেসরে জমা করে বায়ার কে দিতে হয় বা ওয়ার্ড প্রসেসর থেকে স্প্রেডশীট এ কনভার্ট করে দিতে হয়। যার সুন্দর একটি নাম হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। আর এর মত সহজ কাজ মনে হয় পৃথিবীতে নেই। আর আপনার যদি কম্পিউটিং সম্পর্কে একটু ভালো ধারনা থাকে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে আরো ভালো কাজ আরো ভালো টাকা। আরো সহজ একটি কাজ আছে তা হচ্ছে ওয়েব সাইট চেকিং। ছোট বর্ণনা হচ্ছে নতুন যে সাইট গুলো তৈরি করা হয় তা ভিবিন্ন ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে চেক করা। যদি কোন সমস্যা থাকে তার একটা রিপোর্ট তৈরি করা। আর এ রকম কাজের মূল্যা একজন বিগিনার ওয়েব ডেভলফারের কাছাকাছি।

যদি কিছুই না পেরে থাকেন তাহলে ও সমস্যা নেই। আপনার কাছে আছে তথ্য ভান্ডার – ইন্টারনেট। যদি প্রশ্ন করেন যা দেখি তাই ইংরেজীতে। বাংলাতে তো আমি কিছুই পাচ্ছি না। নাহ! দিন আসলেই এখন বদলে গেছে। বাংলাতেই এখন আপনি সব পাচ্ছেন। টেকটুইটস টেকটিউন্স সহ সকল বাংলা টেক ব্লগ এই আপনি প্রয়জনীয় ইনফরমেশন, টিউটোরিয়াল পাচ্ছেন নিয়মিত। আর তাতে যদি আপনি যদি সন্তুষ্ট না হয়ে থাকেন তাহলে গুগলে গিয়ে একটু সার্চ দিন। হাজার হাজার তথ্য আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। ইংরেজী এত কঠিন না। আপনি নিজে বুঝতে পারলেই হবে। আর যদি ইংরেজী পড়তে ভালো না লাগে তাহলে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন। YouTube এখন এমন কোন বিষয় নেই যে যার উপর ভিডিও টিউটোরিয়াল নেই। সত্যিই আচার্যের বিষয়। সবাইকে বলব কোন বিষয় শিখার জন্য প্রথম আগে YouTube এ সার্চ দিতে। যদি YouTube না পাওয়া যায় তার পর গুগলের সাহায্য নিতে।

ফ্রীল্যান্সিং কাদের জন্য জানেন? হ্যাঁ, যারা স্বপ্ন দেখতে পারে তাদের জন্য। আর হচ্ছে যারা অলস বা ১০-৫টার ঘন্ডিতে যারা আবদ্ধ থাকতে চায় না তাদের জন্য। ফ্রীল্যান্সিং করে মজা পাবেন অনেক। আচ্ছা মজা পাবেন না কেন বলেন তো? আপনার ইচ্ছে হয়েছে আজ কক্সবাজার যেতে। আপনি আপনার বন্ধু বললেন চল আজ একটু ঘুরে আসি। অনেক দিন ঢাকায় থেকে মনের মধ্যে ঘুনে ধরে গেছে। বন্ধু একটা হাই তুলে বলল নারে দোস্ত আমার অফিসে অনেক কাজ পড়ে আছে। এখন গেলে বসের ঝাড়ি শুনতে হবে। কিন্তু আপনি একটু পাগলা টাইপের, যা বলেন তাই। তাই আপনার প্রিয় ল্যাপটপ আর মডেমটা নিয়ে ছুটছেন কক্সবাজারের দিকে। এ দিকে ফ্রীল্যান্সিং সাইটে আপনাকে হায়ার করছে একটা কাজের জন্য। তাই বাসে বসে বসে কিছু কাজ করে বাকিটা সী বিচ এ বসে কমপ্লিট করে দিলেন। আর টাকা গুলোও আপনার একাউন্টে জমা হলো। কি মজা, কাজ আর ঘুরা এক সাথে করার। ওহ!! আবার কাজের মূল্যাও যদি আপনার বন্ধুর থেকে বেশি হয় তাহলে তো কথাই নেই। শান্তি আর শান্তি। আসলে এটা একটা গল্প হলেও বাস্তবও তাই। যারা ফ্রীল্যান্সিং করে তারাই এমন মজা করতে পারে।

আমি এমন অনেককে দেখেছি যারা তাদের প্রিয় চাকরি ছেড়ে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করছে বা কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কিছু দিনের মধ্যেই শুরু করবে।

মজা অনেক হলো। সত্যি সত্যি অনলানে কাজ করে অনেক ভালো করা যায়। অনেক ভালো। নতুন দের জন্য ছোট কয়েকটি কথা লেখার জন্যই এ পোস্টটা লিখছি।

যারা ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে চায় তাদের জন্য ভালো কোনটি হবে তাই সিলেক্ট করতে অনেকের কষ্ট হয়। কারন অনেক গুলো ভালো ফ্রীল্যান্সিং স্পট রয়েছে। একদম নতুন যারা তাদের জন্য ভালো হচ্ছে oDesk. আরেকটি হচ্ছে ইল্যান্স। এটা সম্পর্কে আমি এত জোর দিয়ে বলার কারন হচ্ছে আমি নিজেই। কারন অন্যান্য সাইটে আমি অনেক গুলো বিড করে একটা রেসপন্স ও পেলাম না। কিন্তু এখানে কয়েকটি বিড করেই আমি রেসপন্স সহ কাজ পেয়েছি। oDesk এর রয়েছে সুন্দর ন্যাভিগেশন। এত বেশি কঠিন না। সহজেই নিজের পছন্দ মত কাজ বেচে নেওয়া যায়। কাজ করলে পেমেন্ট এর ও কোন সমস্যা হয় না। তার উপর সবছেয়ে দারুন সুবিধে হচ্ছে ফ্রী স্কিল টেস্ট। যা দিয়ে নিজের যোগ্যাতা প্রমান করে সহজেই কাজ পাওয়া যায়। যেখানে অন্যান্য সাইটে স্কিল টেস্ট দেওয়ার জন্য ফী দিতে হয়।



ফ্রীল্যান্সিং এ আমার আগ্রহ ছিল না, আমি কেন ফ্রীল্যান্সিং শুরু করছি তা লিখছি ছোট একটি পোস্টে। তা পাবেন এখানে। হয়তো আপনাকে ও হেল্প করবে ফ্রীল্যান্সিং। এখানে লেখাটা প্রকাশ করতাম না যদি না বাংলাদেশে পিটিসি সাইট নিয়ে এত মাতামাতি না হত। কারন অনেকেই আয় করতে চায়। তাদের জন্য সুন্দর একটি গাইড লাইন তৈরি করতে চাই। যেন নিজেরাই নিজেদের ক্যারিয়ার তৈরি করে নিতে পারে। আর লেখা হত না যদি না আমি খুবি কম সময় oDesk এ 500 ঘন্টা না পূরন করতে পারতাম। হয়তো বাংলাদেশীদের মধ্যে আমারই সবচেয়ে কম সময় লেগেছে ৫০০ ঘন্টা করতে। আরেকটা কারন হচ্ছে আমি মজা পেয়েছি এবং পাচ্ছি। কোন চাকরি করলেও এত মজা পেতাম কিনা সন্দেহ।

আর যদি আপনার চাকুরির সন্মানের কথা চিন্তা করেন তাহলে ও ফ্রিল্যন্সিং এর সন্মান কম না। কিছুদিন আগে আমি ভার্সিটিতে যাওয়ার পথে একটা প্রাইভেট কারে লেখা দেখলাম ফ্রিল্যান্স ব্যাঙ্কার লেখা। হয়তো কয়েক দিন পর আরো বেশি দেখব এমন ফ্রিল্যান্স প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভলপার। আর অনলাইনে কিন্তু ফ্রিল্যান্স মার্কেটিং ম্যানেজারদের অবস্থান খুব দৃঢ়। কারন মার্কেটিং করার সবছেয়ে ভালো এবং আধুনিক হাতিয়ার হচ্ছে ইন্টারনেট। আর সার্চ ইঞ্জিন অফটিমাইজাররা এখানে নিজেদের জায়গা খুব ভালো ভাবেই করে নিতে পেরছে।

এত কিছুর পর ও আমার কষ্ট লাগে যখন দেখি প্রতিবেশিরা প্রতারিত হয়। প্রতারিত হয়, বন্ধুরা প্রতারিত হয় পুরো বাংলাদেশ। আশা করি যাদের ফ্রীল্যান্সিং এর দিকে আগ্রহ আছে তারা কোন দিকে চোখ না দিয়ে শুরু করবেন। শুরু করলেই হবে। আর যদি চিন্তা করেন যে কাজ পাওয়া অনেক কঠিন, আমি কাজই জানি না, না জেনে কি ভাবে শুরু করব। যারা জানেন না তারাও যদি ফ্রীল্যান্সিং সাইটে নিয়মিত ঘুরেন তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার কি শিখা উচিত। তখন নিজের থেকেই শিখার একটা আগ্রহ জন্মাবে, আর শিখার পর কাজ শুরু করতে পারবেন। ঠিক আছে প্রথম প্রথম কাজ পাওয়া কঠিন। কিন্তু তাই বলে বসে থাকলে তো হবে না। যারা আজ নতুন তারাই তো কাজ করেই পুরাতন হয়। তাই আপনি ও কাজের জন্য বিড করা শুরু করুন দেখবেন কত সহজেই কাজ পাওয়া যায় আর আপনি ও একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে পারবেন।

সবার জন্য শুভ কামনা। সবাই যেন নিজ নিজ স্বপ্ন পূরন করতে পারে। আর আপনি যদি ফ্রীল্যান্সার হতে চান তাহলে দোয়া করি আপনি যেন একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে পারেন।

Fiverr

গিগ প্রথম পেজে, কিন্তু অর্ডার পাচ্ছি না, সমস্যার সমাধানঃ
ফেসবুক গ্রুপে এই ধরনের পোষ্ট প্রায়ই দেখা যায়, "আমি নতুন সেলার, গিগ প্রথম পেজে শো করছে, কিন্তু অর্ডার পাচ্ছি না!" ইনবক্সেও এই ব্যাপারে বেশ কয়েকজন আমাকে নক দিয়েছেন। কাজেই এই ব্যাপারটা নিয়ে একটূ আলোচনা করা উচিৎ বলে মনে করছি।

বর্তমানের সার্চ ইঞ্জিনগুলো অনেক স্মার্ট, তার ইউজারের বিহেভিয়ার, লোকেশন ইত্যাদি ইত্যাদি ট্রাক করে চেষ্টা করে বেষ্ট রাজাল্ট দেখাতে। অর্থাৎ একই বিষয়ে দুই জন ভিন্ন ভিন্ন লোকেশন থেকে সার্চ দিলে, দুই জনের রেজাল্ট ভিন্ন ভিন্ন দেখাবে। যেমন আপনি বাংলাদেশ থেকে একটা বিষয়ে সার্চ দিলেন, গুগল বা ফেসবুক চেষ্টা করবে বাংলাদেশ রিলেটেড রেজাল্ট বেশি বেশি দেখাতে। আবার ইউএস থেকে কেউ সার্চ দিলে, ইউ এস রিলেটেড রেজাল্ট বেশি দেখাবে। যারা SEO নিয়ে কাজ করেন তারা এটা আরও ভাল বলতে পারবেন। Fiverr এরও নিজস্ব এলগোরিদম আছে, এটা অনেকটা গুগলের মতই কাজ করে এবং অনেক স্মার্ট। 

একজন নতুন সেলার যখন নতুন গিগ দেয়, তখন স্বাভাবিক ভাবেই তার গিগ বার বার ভিজিট করে এবং তার রিলেটেড গিগ গুলো বেশি বেশি দেখে। ফলে Fiverr চেষ্টা করে এই রিলেটেড রেজাল্ট তাকে বেশি বেশি দেখাতে। এমনকি Fiverr তার গিগ সার্চে, সামনের দিকে দেখাতে পারে, ফলে একজন নতুন সেলার বিভ্রান্ত হতে পারে। সে হয়ত মনে করতে পারে, তার গিগ সামনের দিকেই আছে, অথচ অর্ডার কিন্তু আসছে না। 

আসল কথা হচ্ছে গিগ যদি সামনের দিকে থাকে, তবে অটোম্যটীক্যালি কিছু অর্ডার আসবে। যদি না আসে তবে ধরে নিতে হবে, এখানে কোন শুভংকরের ফাঁকি আছে। এখন আসি কিভাবে নিশ্চিত হব আমার গিগ আসলেই সামনে আছে কিনা। এটার জন্য যেটা করতে হবে, ক্রম ব্রাউজারে Ctrl+shift+n চেপে Incognito মোডে যেয়ে, Fiverr ব্রাউজ করতে হবে। এই মোডে সার্চ ইঞ্জিন কোন ডাটা সেভ করে না। ফলে অনেক একুরেট রেজাল্ট দেখায়। এবার দেখেন আপনার গিগ আসলেই সামনে আছে কিনা। আরও নিশ্চিত হবার জন্য, আপনার পরিচিত কোন ফ্রেন্ডক্‌ একই ভাবে Incognito মোডে আপনার গিগ Fiverr এ সার্চ দিতে বলেন। দুইটার রেজাল্ট মেলান, তাহলেই নিশ্চিত হয়ে যাবেন, আপনার গিগ আসলেই কোথায় আছে। যদি যেখেন আপনার গিগ সার্চের সামনের দিকে আছে, গিগে ক্লিক ভিউ ভাল আছে, তবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন, বেশি বেশি সময় অনলাইনে থাকেন। আশা করা যায়, অর্ডার পেতে বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আর যদি দেখেন, গিগ পিছিনে দিকে আছে, তবে চেষ্টা করেন যেভাবে হোক অর্ডার পেতে। আশা করি গিগ ধীরে ধীরে সামনে আসবে। 
ধন্যবাদ
(যারা মজিলা ব্রাউজার ইউজ করেন তারা Ctrl+shift+p চেপে প্রাইভেট মোডে সার্চ করবেন, অন্যান্য ব্রাউজারেও এই ধরনের মোড আছে, চেক করে নেবেন।

ভিডিও ইডিটিং এ ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ |Career in video editing

Career in video editing
ডিজিটাল বাংলাদেশে আইটিতে ক্যারিয়ার গড়া আজকাল অনেক সহজ হয়ে গেছে যার ফলে সবাই ফ্রিলেন্সিং, ওয়েব-ডেভেলপমেন্ট, সফ্টওয়ার ডেভেলপমেন্ট এর মত বড় বড় ক্ষেএ গুলোতে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বেশি ঝুকছে। কিন্তু এই রকম আরও অনেক বড় বড় এবং সম্মান জনক ক্যারিয়ারে গড়ার ক্ষেএ আছে যেগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষ এখনো অজ্ঞাত বা অনেকে আংশিক জানলেও ভাল করে জানার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাই আজ আমি এমনই একটি সেক্টর নিয়ে কথা বলব, সেটা হচ্ছে ভিডিও ইডিটিং।যেকোন ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার পূর্বে সেই সেক্টরের কাজের ক্ষেত্রগুলো সবার প্রথমে জেনে নিতে হয়। তাহলে চলোন ভিডিও ইডিটিং সেক্টরের কাজের ক্ষেএ গুলো সম্পর্কে জেনে নেই এবং ভিডিও অ্যাডিটিং জানার জন্য যে যে সফটওয়্যারগুলো শিখতে হবে।

সফটওয়্যারঃ  Adobe Premiere, After effects, Final cut pro (FCP), Sound Forge

মিডিয়া হাউজঃ
আমরা টেলিভিশনে যেসব বিজ্ঞাপন দেখি এবং প্রত্যেক অনুষ্ঠানের আগে যে এনিম্যাশন ইনট্রো ভিডিও দেখি ওই গুলা কে বা কারা তৈরি করে দেয় জানেন?  সেগুলো তৈরি হয় বিভিন্ন মিডিয়া হাউজ কিংবা অ্যাডফার্মের মধ্যে। টেলিভিশন চ্যানেল বৃদ্ধির সাথে সাথে এধরনের প্রতিষ্ঠান ও গড়ে  উঠছে প্রচুর পরিমানে।  এজন্য ভিডিও এডিটিং জানা লোকবলের ও বেশি প্রয়োজন পড়ছে। যারা ভাল ভিডিও ইডিটিং জানেন এসবপ্রতিষ্ঠানে তারা কাজের সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে খুব সহজেই। টিভিতে সংবাদ, টকশো বাদে বেশিরভাগ অনুষ্ঠান এসব মিডিয়া হাউজ থেকে তৈরি হয়।  কতটা টিভি চ্যানেল আছে, সেগুলোতে নিয়মিত কত অনুষ্ঠান চলে, মনে মনে একবার সেগুলোকে নিয়ে ক্যালকুলেশন করলেই খুব সহজে বোঝা যায়, ভিডিও ইডিটরদের চাহিদা কেমন? এসব জায়গাগুলোতেও সম্মানজনক বেতনে চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।

টেলিভিশন চ্যানেলে চাকুরীঃ
ভিডিও এডিটিংয়ের প্রধান কাজের ক্ষেত্র হচ্ছে, টেলিভিশন চ্যানেল গুলোতে। বাংলাদেশে এ মুহুর্তে প্রায় ৪৫ টির ও অধিক বেসরকারী টিভি চ্যানেল রয়েছে। আরও চ্যানেল আসবে খুব শীঘ্রই। প্রতিটা চ্যানেলেই প্রয়োজন দক্ষ ভিডিও এডিটর। চিত্রগ্রাহক (ক্যামেরাম্যান) দের ধারন করা ভিডিও গুলো কেটেছেটে দৃশ্যের পর দৃশ্য সাজিয়ে অনুষ্ঠান ও সংবাদকে দর্শকদের দেখার উপযোগী করেতোলাই ভিডিও এডিটরের কাজ আর এসব অনুষ্ঠান ও সংবাদ ২৪ ঘন্টা প্রচার করে টিভিচ্যানেল।

প্রতিটা টিভি চ্যানেলে কতজন ভিডিও অ্যাডিটর রয়েছে সেটি জানলে হয়ত চাকুরী পাওয়ার সম্ভাবনাটা অনুধাবন করা সহজ হবে।

একটা চ্যানেলে তিন ধরনের ক্যাটাগরিতে ভিডিও এডিটর নেওয়া হয়

১.সিনিয়র ভিডিও এডিটর

২.ভিডিও এডিটর

৩.নতুন যারা আসতে চাই ফ্রেশার বা শিক্ষানবীশ সেখানে শিক্ষানবীশ নিয়োগ দেওয়া হয় ২০ জনের মত।

টেলিভিশন চ্যানেলের নতুন ভিডিও এডিটরদের বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হয়। কিন্তু যারা বহুদিনের অভিজ্ঞ তাদের বেতন ৫০ হাজার – ১ লাখ টাকা পযন্ত হয়ে থাকে।

মুভি ইন্ডাস্ট্রি 

মুভি এডিটিং খুবই জটিল এবং সৃষ্টিশীল পেশা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ক্ষেত্রটিতে দক্ষতার চেয়ে সৃজনশীলতার মূল্য বেশি তাই এর পারিশ্রমিকের মূল্যও অনেক বেশি। বর্তমানে আমাদের দেশে চলচ্চিত্র এবং নাটক তৈরির হার অনেক বেড়ে গেছে আর সে জন্য প্রয়োজন পরছে প্রচুর পরিমানের ভিডিও ইডিটরদের।

মুভি এডিটিং এর জন্য বেশকিছু কাজ জানতে হয়। আর এগুলোর জন্য প্রয়োজন হয় আলাদা আলাদা অ্যাপ্লিকেশন। ফটো এডিটিং থেকে শুরু করে সাউন্ড এডিটিং, ভিডিও এডিটিং, 3D মডেলিং সবই এর অংশ।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজঃ

উপরের কয়েকটি ক্ষেএ সম্পর্কে পড়ে আশাকরি ইতিমধ্যে সবার কাছে ভিডিও ইডিটিং কাজের ক্ষেত্রগুলো সবার কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে। যেকোন কাজের ক্ষেত্রগুলো যদি পযাপ্ত পরিমানে থাকে, তাহলে অনলাইনে মার্কেটপ্লেসগুলোতেও সেই কাজটির চাহিদা থাকবেই। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে এ ধরনের কাজের চাহিদাগুলো জেনে নিতে পারেন, তাদের তৈরি গ্রাফ হতে। এ তথ্য গ্রাফ পাওয়ার লিংকঃ https://www.elance.com/trends/skills_central

video editing job



এই গ্রাপটি তে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে অনলাইনে টোটাল ৪৬,৫৫৪ টি জব রয়েছে এখানে আর ওপেন জব রয়েছে ৭২৭ টি । একেকটি জবের বাজেট ছিল ১,০৩৮ ডলার করে । ভিডিও এডিটিং কাজের জন্য এই মার্কেটপ্লেস গুলুতে ঘণ্টায় ১৯ ডলার পে করা হয় তার মানে বাংলাদেশি টাকায় ১৫৬০ টাকা প্রতি ঘণ্টায় । আর ভিডিও এডিটিং এর কাজ প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে । সকল মার্কেটপ্লেসেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

উপরের সবগুলো আলোচনা থেকে বুঝতে পারা গেল কাজের চাহিদা সম্পর্কে। তারপর যেকোন কিছু শেখা শুরুর আগে জেনে নেওয়া দরকার, কোর্সটি শিখতে কতটুকু কষ্ট করতে হবে। এ বিষয়ে সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, সেটি হচ্ছে, গ্রাফিক ডিজাইন কিংবা ওয়েবডিজাইন কিংবা এসইও সম্পর্কিত কাজের চাইতে অনেক সহজ এবং অনেক মজাদার। সেই সাথে শিখতে সময়ও লাগে অনেক কম।

ফাইভারে লাইফটাইম কাজ করতে চাইলে ১৫টি টিপস সব সময় মনে রাখবেন। Raj June 26, 2020 0 HomeOutsourcingফাইভারে লাইফটাইম কাজ করতে চাইলে ১৫টি টিপস সব সময় মনে রাখবেন। ফাইভারে লাইফটাইম কাজ করতে চাইলে ১৫টি টিপস সব সময় মনে রাখবেন। by - Md Masud Rana on - August 30, 2019 ফাইবারে কাজ শুরুর প্ল্যান করছেন? ফাইবারে নতুন কাজ শুরু করেছেন? তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য। ফাইবারে নতুনরা কাজ করতে নেমে অনেকেই অনেক সমস্যা ফেস করেন আবার অনেকেই ফাইবারে হিডেন রুলসগুলো জানেন না। এক্ষেত্রে অনেকেই শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে যান। আজকে সেইসব পয়েন্টগুলো তুলে ধরব যেগুলো মেনে চললে ফাইবারে লং টাইম কাজ করতে পারবেন। ১. প্রথমেই আসি ফাইবার প্রোফাইল নিয়ে। ফাইবার প্রোফাইল তার নামেই খুলবেন যার ভোটার আইডি বা পাসপোর্ট আছে। কারন যেকোন সময় ভ্যারিফিকেশনে পড়তে পারেন। ২. ফাইবারে যদি আপনি লং টাইম কাজ করার জন্য আসেন তাহলে ফাইবারে কোন দুই নাম্বারি করা যাবে না। ফাইবারে গিগ যেহেতু একটা প্রোডাক্টের মত। প্রোডাক্ট যত আকর্ষনীয় করে তুলবেন তত সেল হবে। ফাইবারে গিগের ইমেজ বা ড্রেসক্রিপশন কখনই কারও কপি করা যাবে না। হ্যা আপনি অন্যদের দেখে আইডিয়া নিতে পারেন তাই বলে কপি করতে পারবেন না। নাছাড়া অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার পর একদিন দেখবেন আপনার গিগ রিমুভ। ৩. ফাইবারে অনেক ক্যাটাগরির গিগ রিমুভ করে দিয়েছে যেগুলা অবৈধ কাজের মধ্যে পড়ে যেমন ইউটিউব লাইক,সাবস্ক্রাইব, রিভিউ ইত্যাদি। তাই অবশ্যই ইউনিক বিষয়ে গিগ খুলবেন নাছাড়া অনেকদূর যাওয়ার পর দেখবেন একদিন গিগ রিমুভ। ৪. গ্রুপে অনেক পোস্ট দেখি যে আমি ইংরেজী ভালো পারি না কিন্তু কাজ পারি তাহলে কি আমি ফাইবারে কাজ করতে পারব? উত্তরটা আপনার কাছেই আছে। সাপোস আপনি কাজ পারেন আপনার কাছে একজন জার্মান ক্লায়েন্ট আসছে তার সাথে যদি জার্মান ভাষায় কথা বলতে না পারেন তাহলে আপনি তার থেকে কাজ বুঝে নেবেন কিভাবে আর করবেন কিভাবে। তেমনি ইংলিশ বিষয়টাও সেম। কাজ করার ক্ষেত্রে কমুনিকেশন রাখাটা খুব জরুরী আপনি কাজ না বুঝে নিতে না পারলে কাজ কখনই করতে পারবেন না। আর ইংলিশ বোঝার জন্য একবার একে একবার ওকে নক দিতে তো পারেন না। আর গুগল ট্রান্সলেট কখনই ১০০% রাইট আউটপুট দেয় না। সো আপনার যদি মনে হয় আপনি ইংলিশ পারেন না। তাহলে ২-৩ মাস ইংলিশ শিখুন অন্তত কমুনিকেশন এর মত ইংলিশ জানলেও চলবে। ব্যাপারটা এমন না যে ফাইবারে আপনি ২-৩ মাস পর আসলে কাজ ফুরাই যাবে বা কাজ পাবেন না। ৩. ফাইবারে গিগ খুলে ডাইরেক্ট খুব কম অর্ডার পাওয়া যায়। কারন বায়াররা নিউ সেলারদের উপর তেমন ভরসা করতে পারে না। বায়াররা সময় নষ্ট করতেও চায় না তাই তারা বেশি রিভিউ থাকা গিগগুলোতেই ডাইরেক্ট অর্ডার বেশি করে। সাপোস আপনি এমাজনে যখন একটা প্রোডাক্ট কিনতে যাবেন তখন আপনি নিজেও কিন্তু ভালো রিভিউ প্রোডাক্ট দেখেই কিনবেন। গ্রুপে রেগুলার পোস্ট দেখি গিগ খুলেছি অর্ডার পাই না। তাদের উত্তরটাই এতক্ষন দিলাম। তাহলে অর্ডার পাবেন কিভাবে? অর্ডার পেতে হলে ডেইলি ১০টা ইউনিউকভাবে বায়ার রিকুয়েস্ট করতে হবে। যদি কপি পেস্ট বায়ার রিকুয়েস্ট করেন অর্ডার পাবেন না। আমি বলব না কিভাবে করবেন। জাস্ট বায়ারের জায়গায় নিজেকে বসান আর ভাবুন আপনাকে কিভাবে বললে আপনি প্রোডাক্টটা কিনতেন উত্তর পেয়ে যাবেন। গিগে যখন অনেক রিভিউ আসবে আস্তে আস্তে তখন ডাইরেক্ট গিগ থেকে অর্ডার পাওয়া শুরু করবেন। গিগ খুলেই যদি ৩-৪দিন পর গ্রুপে পোস্ট দ্যান ভাই গিগ খুলছি অর্ডার পাচ্ছি না কি করব তাহলে তো হল না। অনেকে ২-৩ মাস পরও প্রথম অর্ডার পেয়েছিল। ধৈর্যশক্তি আপনার মধ্যে না থাকলে ফ্রিলান্সিং আপনার দ্বারা হবে না। ৪. নতুনদের জন্য বায়ার রিকুয়েস্ট করার জন্য ৮০% সাকসেস রেট থাকতে হবে। সো আপনি অর্ডার পেয়েছেন কিন্তু দেখছেন বায়ার হ্যাপি না তখন ক্যানসিল করে দিন। ৫. প্রথম দিকে আপনার টার্গেট থাকবে প্রতিটা অর্ডারে ফাইবস্টার আনা কারন উপরে আমি লিখে দিয়েছি ৮০% সাকসেস না থাকলে বায়ার রিকুয়েস্ট করতে পারবেন না। তাই ফোকাস কাজের দিকে দিবেন। আর যত কষ্ট হউক বায়ারকে ফুল স্ট্যাটিস্ফাইড করবেন। একটা প্রোফাইল দাড় করাতে হলে প্রথম দিকে অনেক কষ্ট করতেই হবে। ৬. বায়ারের সাথে ইমেইল, স্কাইপি কোনরকম যোগাযোগের মাধ্যম শেয়ার করার ইচ্ছাটাও মনে রাখা যাবে না। মনে রাখবেন ফাইবার আপনার থেকেও অনেক চালাক। বায়ার আপনার সাথে বাইরে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে স্পষ্টভাবে বলেদিন এইটা ফাইবার রুলস ব্রেক করবে তাই আমাদের এখানেই কথা বলতে হবে। কাজের প্রয়োজনে বায়ার আপনাকে ইমেইল দিতে পারে সেক্ষেত্রে সমস্যা নেই। ৭. কাজের প্রয়োজনে কিছু কিছু ওয়ার্ড ব্যবহার করার সময় মধ্যে গ্যাপ দিবেন। যেমন আপনি ওয়েব ডিজাইনে কাজ করেন এক্ষেত্রে পেপাল পেমেন্ট সেট করার জন্য বায়ারের পেপাল একাউন্ট দরকার বা ইমেইল দরকার সেক্ষেত্রে pa ypal, e mail লিখবেন। আর অনেকেই বায়ারকে বাইরে যোগাযোগ করা যাবে না জন্য outside of fiverr এইটা একসাথে লিখেন এইটা করবেন না। কথাটা এভাবে লিখতে পারেন। Sorry fiverr doesn't support to talk outside. So we have to talk here. ৭. ফাইবারে এখন রিউভিউ নিয়ে অনেক কড়াকড়ি। তাই রিভিউ চাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান হবে। যদি দেখেন বায়ার আপনার কাজে সন্তুষ্ট তাহলে ডেলিভারিতে লিখে দিবেন যে, আমার কাজ আপনার যদি ভালো লাগে 5* রিভিউ দিতে ভুলবেন না এইটা আমার অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে অনেক সহায়তা করবে। ৮. বায়ার মানে হল লক্ষী। বায়ারের সাথে ভালো বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী করুন। বায়ারকে কিছু এক্সট্রা সুবিধা দিন এতে বায়ার আপনাকে ছাড়া অন্য কোন সেলারের কাছে যাবে না লিখে দিতে পারি। কাজ শেষে ম্যাসেজে তাকে ধন্যবাদ দিন। তার নেক্সটে কোন হেল্প লাগলে আপনাকে যেন নক দেয় বলে দিন। এছাড়া অর্ডার কমপ্লিট হওয়ার পর যদি বায়ার নক করে আপনাকে কিছু হেল্প করে দিতে যদি বলে করে দিন। এতে বায়ার খুশি হবে। আমি নিজেই অনেক করে দেই। ম্যাক্সিমাম বায়ারের কাছে একটা কথা শুনেছি যে তাদের অর্ডার কমপ্লিট হওয়ার পর কোন দরকার হলে সেলারকে নক দিলে ঠিক মত রিপ্লে দেয় না। এই কাজ করবেন না এতে বায়ার আপনার কাছে আর আসবে না। বায়াররা সব সময় হেল্পফুল আর ট্রাস্টেড মানুষ খুজে। ৯. কোন বায়ার যদি আপনাকে খারাপ রিভিউ দেয় এর জন্য তাকে ইনবক্সে বা ফাইবার সাপোর্টে ভুলেও নক দেবেন না। আপনি রিসলুশন থেকে ডাইরেক্ট রিভিউ মডিফাইড এর রিকুয়েস্ট করতে পারেন ডিটেইলস লিখে। ১০. ভেজাল টাইপের বায়ার এড়িয়ে চলুন। আপনাকে সব সময় মাথা কুল রাখতে হবে বায়ার যাই আচরন করুক না কেন। আগেই বলছি আপনার কাজ না পছন্দ হলে ক্যানসিল করে দিবেন নাছাড়া বায়ার সাপোর্টে রিপোর্ট করলে আপনি ওয়ার্নিং খাবেন। ১১. ইন্ডিয়ান , পাকিস্তান ক্লায়েন্ট একদম ই না। বিশেষ করে ইন্ডিয়ানরা নিউ সেলারদের টার্গেট করে। তাই কাজের লোভে তাদের ফাদে পা বাড়াবেন না। ১২. সব সময় অন টাইমের মধ্যে ডেইলিভারি দিবেন। আর যারা গ্রাফিক্সে কাজ করেন ভুলেও ফাকা ডেলিভারি দিবেন না। কিছু না কিছু এটাচ করে দেবেন। ১৩. যদি কখনও দেখেন বায়ার অর্ডার করছে কিন্তু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেয় নাই এইদিকে বায়ার অনলাইনেও আসে না সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে অর্ডার সময় শেষ হওয়ার ৩০ মিনিট আগে ডেলিভারি দিবেন। আর লিখে দিবেন যে, আমি আপনার রেস্পন্স এর জন্য অপেক্ষা করছিলাম না আপনি মে বি ব্যস্ত আছেন। অর্ডার ডেলিভারি সময় শেষ হয়ে যাচ্ছিল তাই আমি ডেলিভারি দিয়েছি। আপনি যখন অনলাইনে আসবেন তখন রিভিশনে ক্লিকে করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দিবেন প্লিজ। ১৪. খুব প্রয়োজন না হলে ভুলেও কখনও সাপোর্টে নক দিবেন না। ১৫. যে গিগে অর্ডার পেয়েছেন ভালো রিভিউ পেয়েছেন সেই ইডিট করবেন না। সর্বপরি আপনাকে ফাইবারে ওনেস্টলি ফাইবারের সব রুলস মেনে চলে কাজ করতে হবে। ফাইবারে সব সময় মনে করতে হবে বায়ার ঠিক আপনি ভুল। বায়ারদের সাথে কখনই বেশি ক্যাচাল করতে যাবেন না কারন তাতে আপনার ই ক্ষতি হবে। ফাইবার সব সময় বায়ারের পক্ষে তাই যা করার বুঝে শুনে করতে হবে। দুই নাম্বারি করে বেশিদিন কখনই টিকে থাকতে পারবেন না। হার্ড ওয়ার্কাররা কখনও পড়ে থাকে না। আপনাকে জাস্ট একটা জিনিস মনে রাখতে হবে। আশে পাশে আপনাকে কেউ হেল্প করবে না ডাইরেক্টলি। তাই যা করার আপনাকেই করতে হবে। আর বিশেষ কারও উপর ভরসা না করে নিজের ভরসাই চলা ভালো আমি মনে করি। গুগল আছে ইউটিউব আছে আর নিজের মাথা আছে। সবগুলোকে কাজে লাগান সফলতা আসবেই। যাই হউক আজকের মত পোস্ট এখানে শেষ করছি।

Author Name

Sree Sojib Chandro

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.